কবিতা আমি খেতে না পারলেও কবিতায় আমি বাঁচি…

0
790

নিজস্ব প্রতিবেদক

সাধারণের একটু বেখাপ্পা লাগলেও কিছু মানুষের জন্য কথাটা ধ্রুবসত্য। যদিও বর্তমানে কবি ও কাকের সংখ্যা সমান তবুও কিছু প্রতিভা, কিছু কবিতা ও কিছু ভাবনা আলাদা হয়। যা একজন কবির স্বকীয়তা তুলে ধরে। কিছু মানুষের কথাই যেনো কবিতা। কিছু মানুষের ভাবনাই যেন পড়ন্ত বিকেলের মিঠে রোদের মতো আবেশী।

ডুবে যাওয়ার নিয়মে ডুবে যেতে যেতে পদচিহ্ন রেখে যাওয়ার ভাগ্য নিয়ে ক’জনা জন্মায়। এমনি একটা চিহ্ন এঁকে দেয়ার প্রয়াস থেকেই অমর একুশে বইমেলায় মলাট বন্দী হচ্ছে কবি আযীমুল হকের একক কবিতাগ্রন্থ “ডুবে যেতে যেতে”।

দুই সন্তানের জনক আযীমুল হক পেশায় বাংলাদেশ পুলিশের একজন উচ্চপদস্ত কর্মকর্তা। আজ তাকে পেশায় নয়, নেশায় তুলে ধরতে চাই। এতো ব্যস্ত একজন মানুষ কিভাবে এতো আবেগ জমিয়ে রাখে সেটা তার পাশে না থাকলে বোঝা দুষ্কর। “শায়েরী” শব্দের প্রকৃত অর্থ উদ্ভাবন করতেই যেন তার জন্ম। কবিতার প্রতি ভালোবাসা পুষে চলেছেন সেই ছোটবেলা থেকে। শিক্ষক বাবা মোবারক আলীর ছন্দ কবিতা আর সুন্দরবনের সৌন্দর্য তাকে করে তুলেছে সৃষ্টিশীল। বাগেরহাট জেলার মোড়লগঞ্জ জেলায় জন্ম নেয়া এই কৃতি সন্তান নিজ জেলাকে করেছেন গর্বিত।

 

বহুবছর থেকে কবিতা প্রেমী এই মানুষটি কবিতাকে এতোটাই ভালোবাসেন যে কবি তকমা ব্যবহারের আগে নিজেকে তার যোগ্য করে তুলেছেন। কবিতা হচ্ছে মনের খোড়াক। কবি এই বইটি বিষাদ ও ভালোবাসাকে মিশিয়ে নিয়ে গেছেন এক অনন্য উচ্চতায়। যারা সত্যিকারে কবিতা ভালোবাসেন বা কবিতায় খুঁজে নিতে জানেন নিজের পুরোনো কোন স্মৃতির আঁচড় একুশে বইমেলা ২০২০ থেকে সংগ্রহ করে দেখতে পারেন “ডুবে যেতে যেতে”। প্রকাশনায় অন্যপ্রকাশ।

“রাতের সব তারাই আছে
দিনের আলোর গভীরে”

রবী ঠাকুরের এই লাইন দুটোর সাথেই কবি আযীমকে তুলনা করা যায়। দিনের আলোয় তিনি যেনো লুকিয়ে রাখেন তার কবিতা ভান্ডার। যতো রাত হয় ততো তিনি উজ্জ্বল হন কবিতার মাঝে। জোছনার জলে পরিশুদ্ধ এই মানুষটির প্রথম কবিতাগ্রন্থ “ডুবে যেতে যেতে” রেখে যাক নতুন প্রজন্মের জন্য এক ব্যতক্রমী পদচিহ্ন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here