সম্প্রীতি উৎসবঃ পরমতসহিষ্ণুতা ও ঐক্যের বার্তা নিয়ে বিজয় মাস জুড়ে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের আয়োজন

0
131

বরগুনা: সহাবস্থান ও ঐক্যের সম্মিলনে সম্প্রীতি চর্চাকে প্রসারিত করার প্রয়াসে বিজয়ের ৪৯ বছরের প্রাক্কালে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশানাল (ডিআই) মাসব্যাপী সম্প্রীতি উৎসব কার্যক্রম আয়োজন করেছে। ইতিবাচক ও সহনশীল রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টির জন্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় শিশু-কিশোর ও তরুণদের মাঝে রাজনৈতিক সহনশীলতা, সামাজিক, জাতিগত ও ধর্মীয় সম্প্রীতি, গণতান্ত্রিক ঐক্য ও পরমতসহিষ্ণুতার মূল্যবোধ সুসংহত করতে “সম্প্রীতি উৎসব” আয়োজিত হচ্ছে। বাংলাদেশের শত বছরের সম্প্রীতি ও সহনশীলতার গল্পকে একবিংশ শতাব্দীর নতুন প্রজন্মের চোখ দিয়ে তুলে ধরবে এই উৎসব।

বিজরেয় মাস ডিসেম্বরে শুরু হওয়া এই উৎসবে থাকছে কবিতা লিখন, চিত্রাঙ্কন, আলোকচিত্র ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিষয়ক প্রতিযোগিতা। “সম্প্রীতির বাংলাদেশ” এই মূলভাব নিয়ে বাংলাদেশের নাগরিক যেকোনো শিশু, কিশোর ও তরুণ “কারণ বাংলাদেশ আমার” নামক ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে তাদের ছবি, কবিতা বা শর্ট ফিল্ম জমা দিতে পারবে এবং জমা দেয়ার শেষ তারিখ ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০। জমা দেয়ার জন্য ফেসবুক গ্রুপ লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/groups/718296318974660। চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য দুটি গ্রুপে বয়সসীমা নির্ধারিত হয়েছেঃ এ গ্রুপ (১০-১৪ বছর) এবং বি গ্রুপ (১৫-১৮ বছর)। ফোটোগ্রাফি, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও কবিতা লিখন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের বয়সসীমা ১৮ বা তদোর্ধ্ব। কবিতা লিখন প্রতিযোগিতাটি সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। ফলাফল ঘোষণার তারিখ ১৫ জানুয়ারি ২০২০ এবং বিজয়ীদের জন্য থাকছে আকর্ষণীয় উপহার। বিজয়ীদের জন্য থাকছে – আকর্ষণীয় ক্রেস্ট, বাঁধাই করা সার্টিফিকেট, সম্প্রীতি উৎসবের সুভ্যেনির, ফেসবুক লাইভ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সুযোগ এবং কর্মশালায় অংশগ্রহণের সুযোগ। আলোকচিত্র এবং চিত্রাঙ্কনে বিজয়ীদের আলোকচিত্র এবং ছবি বাঁধাই করে পাঠানো হবে। চিত্রাঙ্কনের বিজয়ীদের জন্য পুরস্কার হিসেবে আরো থাকছে ছবি আাঁকার সরঞ্জাম।

প্রতিযোগিতা সংক্রান্ত আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের “কারণ বাংলাদেশ আমার” ফেসবুক পেইজে (https://www.facebook.com/karonbangladeshamar) এবং www.karonbangladeshamar.com ওয়েবসাইটে। সম্প্রীতি উৎসব ইউএসএআইডি ও ইউকেএইড এর যৌথ অর্থায়নে ‘Strengthening Political Landscape’ প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত হচ্ছে ।

ইউএসএআইডি সম্পর্কে: ১৯৭১ সাল থেকে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র সরকার ইউএসএআইডি – এর মাধ্যমে বাংলাদেশকে সাতশ কোটি ডলারেরও বেশি উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করছে । ২০১৯ সালে ইউএসএআইডি বাংলাদেশের জনগণের জীবনমানের উন্নয়নে ২০ কোটিরও বেশি ডলার প্রদান করেছে। ইউএসএআইডি বাংলাদেশে যে সকল কর্মসূচিতে সহায়তা প্রদান করে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে – গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও অনুশীলনের প্রসার, খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সুবিধাদির সম্প্রসারণ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সেবার উন্নয়ন ও অভিযোজন এবং স্বল্প কার্বন উন্নয়নের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়ানো।

ইউকেএইড সম্পর্কে: যুক্তরাজ্য বিভিন্ন দেশে সুনির্দিষ্ট কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান এবং গণতন্ত্র সহায়ক আন্তর্জাতিক পরিবেশ তৈরিতে অবদান রাখার মাধ্যমে সারা বিশ্বে গণতন্ত্রের জন্য কাজ করছে। তারা বিভিন্ন আঞ্চলিক সংগঠনের (ইইউ, এএইড, ওএসসিই, দি কাউন্সিল অব ইউরোপ এন্ড দি কমনওয়েলথ) গণতন্ত্র বিষয়ক কাজকে বেগবান করতে ভূমিকা রাখছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here