যে নেতা জনতার।

0
517

যে নেতা জনতার, যে কন্ঠ জনতার তাকে ঘর বন্দী করে রাখা যায় না,১৯৭১ সালেও জাতির জনককে গ্রেফতার করে বন্দী রেখে স্বাধীনতাকে বন্ধ রাখতে চেয়েছিল কিন্তু মুক্তি পাগল জনতা ঠিকই বিজয় ছিনিয়ে এনেছিল, সে রকমই একজন মেয়র শাহাদাত কে ঘরবন্দী রেখে জনতার ভালবাসা রুদ্ধ করা যাবেনা।জনতার কন্ঠ যে সকল ডিক্টেটর বন্ধ করতে চেয়েছে ইতিহাস জানে তাদের পতন হয়েছে।জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার আমাদের শিখিয়েছে গনতন্ত্র মানে সকলের অধিকার, জনগণ এখন গনতন্ত্র বোঝে নিজের ভোট কাকে দিবে সেটা ভাল জানে।ভালবাসা চিনতে জনগণ ভুল করেনা।সারাবছর জনগনের খোঁজ না নিয়ে এখন আসছেন নির্বাচনে, নির্বাচনের কথা বলছেন,কেন?জনগনের জন্য আপনার অবদান কতটুকু? করোনার মহামারীতে নিরন্ন মানুষের মুখে খাদ্য তুলে দিয়েছিল একজন শাহাদাত। গনতন্ত্রের উৎসবে বাংলাদেশের সকল জনগণের অংশগ্রহণের অধিকার আছে আপনারা সেখানে নূন্যতম সৌজন্যতা না দেখিয়ে শাহাদাতের নারী কর্মীদের গায়েও হাত তুলছেন,প্রচারের মাইক ভাংচুর করছেন, আপনারা এসব করে কি চাচ্ছেন?জনগনের কন্ঠ চেপে ধরবেন।আপনারা ভালবাসা দিয়ে জনগনের মন জয় না করে ভয় দেখাচ্ছেন,ফল কি হচ্ছে ভেবে দেখার সময় পেলে ভেবে দেখবেন। ভালবাসা দিয়ে ভালবাসা কিনতে হয়।জনগন আপনাদের কর্মকাণ্ড দেখে এখনি আতংকিত, এরা বুঝতে শুরু করেছে আপনারা মেয়র নির্বাচিত হলে শান্তিপ্রিয় জনপদ বরগুনা আতংকের জনপদে পরিনত হবে।লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বলতে শব্দটি বুঝি আপনাদের জানা নেই।গনতান্ত্রিক উৎসব নির্বাচন এটাও আপনারা জানেন না।জনতার বুকের বামপাশের শব্দগুলো শুনবেন, অসহায় গরীব, প্রতিবন্ধী, বস্তিবাসীর শব্দ শুনবেন সেখানে শাহাদাত নামের শব্দটি উচ্চারিত হয়।শাহাদাত সাহেব আপনি ঘরে বন্দী থাকেন আর বরগুনার বাইরে থাকেন আপনার যখন প্রতীক আছে নির্বাচনে জনগণ একচেটিয়া আপনার জগ প্রতীকেই ভোট দিবে তাতে কেন্দ্রে আপনার এজেন্ট না দিলেও চলবে।বরগুনার প্রশাসনের কাছে জনগণের প্রত্যাশা শুধু অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন।

আদিত্য নাথ
৫ নং ওয়ার্ড, বরগুনা পৌরসভা
বরগুনা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here